Close

রোগ প্রতিরোধ আমলকি

আমলকি পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি ফল। প্রাচীনকাল থেকেই এ উপমহাদেশে এই ফলটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। টক স্বাদের আমলকি স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। গুড়া, জুস, তেল, ট্যাবলেট এবং মসলা হিসেবে আমলকি ব্যবহার করা হয়। আমলকি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ এবং ভিটামিন যেমন-ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রণ, ক্যারোটিন এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে।

১. চুলের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য আমলকি দারুন উপকারী। নিয়মিত আমলকি খেলে অথবা এর তৈরি পেষ্ট চুলের গোড়ায় লাগালে চুল তাড়াতাড়ি বাড়ে। এছাড়া আমলকির তেল চুল ও টাক পড়া রোধে ভূমিকা রাখে।

২. মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। আমলকিতে থাকা ভিটামিন এ এবং ক্যারোটিন চোখের দৃষ্টি উন্নত রাখতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ সারায়।

৩. আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। আর ক্যালসিয়াম হাড়, দাঁত, নখ উন্নত করতে সাহায্য করে।

৪. আমলকিতে থাকা উচ্চ মানের প্রোটিণ বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখতে ভূমিকা রাখে।

৫. আমলকিতে খনিজ ও ভিটামিন থাকায় এটি নারীদের পিরিয়ডকালীন জটিলতা কমায়।

৬. ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি থাকায় আমলকি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দারুন উপকারী। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়।

৭. যাদের ইউরিনে সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন। এটি মূত্রবর্ধকের কাজ করে।

৮. অন্যান্য ফলের মতো আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এ কারণে এটি কোষ্টকাঠিন্য কমায়। এছাড়া ডায়রিয়া প্রতিরোধেও এটি ভূমিকা রাখে।

৯. আমলকিতে থাকা ক্রোমিয়াম কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে এটি খেলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

১০. আমলকি খাদ্যে অরুচি দূর করে।

১১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় নিয়মিত আমলকি খেলে ত্বকে তারুণ্যতা বজায় থাকে। এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও ভূমিকা রাখে।

১২. নিয়মিত আমলকি বা আমলকির রস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

সূত্র : অর্গানিক ফ্যাক্টস

Share on Facebook
নিউজটি 69 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

16129961_1730814400566375_1235166755_o