Close

নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির সুযোগ নেই: তোফায়েল

ডেস্ক রির্পোট: নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই নির্বাচনকালীন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সেখানে বিএনপির প্রতিনিধি থাকার সুযোগ নেই। গতকাল রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জুয়োর সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেন। সূত্র আমাদের সময়।

তিনি বলেন, ঝ্যাং জুয়োর সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি তাকে (ঝ্যাং জুয়ো) বলেছি সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি আমার বিশ্বাস। কারণ বিএনপি ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যে ভুল করেছে, সেটি আর করবে না। বিএনপি নির্বাচনে না গিয়ে আন্দোলনের পথ বেছে নিলে গভীর সংকটে পড়বে এবং তা উপলব্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচির দিকে যাচ্ছে না।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সরকারের ভাবনা কী এ বিষয়ে তোফায়েল বলেন, এটি কোর্টের বিষয়। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই।

সাম্প্রতিক ছাত্র বিক্ষোভে সাংবাদিকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। ওই ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে বের করতে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। কারণ সাংবাদিকরা জীবনবাজি রেখে কাজ করেন।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে অতিবৃষ্টির কারণে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। বাজারে এর প্রভাব এবং ঈদের একটি প্রভাব পড়েছে। আশা করছি ঈদের পর পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।

বৈঠকের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ডব্লিউটিওর সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ চীনের কাছে লেটার অফ এক্সচেঞ্জ পাঠিয়েছে। সম্মতি পাওয়া গেলেই বাংলাদেশ চীনের কাছে রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাবে। ডব্লিউটিওর সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে এ বাণিজ্য সুবিধা নিতে পারে।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (আপটা) আওতায় চীনের কাছ থেকে ৫ হাজার ৭৪টি রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পাচ্ছে। লেটার অফ এক্সচেঞ্জের আওতায় বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণ করলে আপটার আওতায় চলমান বাণিজ্য সুবিধা আর থাকবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চীনের সাংহাইয়ে আগামী ৫-১০ নভেম্বর প্রথমবারের মতো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর্টার্স এক্সপো-২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এতে অংশ নেবে।

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, চীনের সহযোগিতায় পূর্বাচলে ৩৫ একর জমির ওপর চীন-বাংলাদেশ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মিত হচ্ছে। আগামী ২০২০ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হবে। এর মোট ব্যয়ের বেশিরভাগ চীন সরকার বহন করবে।

চীনের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, চীন বাংলাদেশকে উচ্চমাত্রায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক চমৎকার। বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষর করে বাণিজ্য ক্ষেত্রে নতুনমাত্রা শুরু করতে চায় চীন। বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। প্রাইভেট ও জিটুজি (সরকার টু সরকার) ভিত্তিতে এসব কাজ চলছে।

Share on Facebook
নিউজটি 79 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

16129961_1730814400566375_1235166755_o