Close

ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর ও ওয়ালটন মোবাইল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এস এম রেজওয়ান আলম। ওয়ালটন মোবাইলের উত্থান, বাজার সম্প্রসারণ নীতি, দেশেই স্মার্টফোন উৎপাদন কার্যক্রম শুরু এবং আগামী বছরের ব্যবসা পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন। প্রশ্ন: ওয়ালটনের দেশেই স্মার্টফোন তৈরির উদ্যোগ কোন পর্যায়ে আছে? রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন শুরু থেকেই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিশ্বাস করে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করে দেশীয় এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ওয়ালটনই প্রথম বাংলাদেশে স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা দেশের প্রথম স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। কারখানাটি থেকে এরই মধ্যে ডিভাইস উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রশ্ন: ২০১৮ সালের জন্য ওয়ালটন মোবাইলের পরিকল্পনা নিয়ে বলুন। রেজওয়ান আলম: ২০১৮ সালে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে ওয়ালটনের। এ পরিকল্পনার মধ্যে? রয়েছে উৎপাদন ইউনিট বৃদ্ধিসহ মোবাইল ফোন গবেষণা ও মানোন্নয়নে আরো বেশি বিনিয়োগ করা। আগামী বছরের মধ্যে স্মার্টফোনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ওয়ালটন মোবাইল ফোন কারখানায় চারটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে। শিগগিরই আরো দুটি ইউনিট যুক্ত হবে। আগামী বছর উৎপাদন ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টিতে। সেসঙ্গে বাড়বে বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতাও। আগামী বছর ওয়ালটনের বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এক কোটি হ্যান্ডসেট। এর মধ্যে ২৫-৩০ লাখ হবে স্মার্টফোন। বাকি ৭০-৭৫ লাখ ফিচার ফোন। এর বাইরে আরো বেশি ফোরজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেট বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশ্ন: ওয়ালটন স্মার্টফোনের টার্গেট ক্রেতা কারা? রেজওয়ান আলম: চাহিদার কথা বিবেচনা করে ওয়ালটন সব ধরনের ক্রেতার জন্য হ্যান্ডসেট বাজারজাত করে এসেছে। বর্তমানে ওয়ালটনের রয়েছে ২ হাজার ৮৪০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৩ হাজার ৯৯০ টাকা দামের স্মার্টফোন। বাংলাদেশের বেশির ভাগ থ্রিজি নেটওয়ার্ক সেবা ব্যবহারকারী ওয়ালটন হ্যান্ডসেটের ক্রেতা। প্রশ্ন: ক্রেতারা ওয়ালটনের হ্যান্ডসেট কেন কিনবে? রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন শুরু থেকেই সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত হ্যান্ডসেট বাজারজাত করে আসছে। গুণগত মানের পাশাপাশি অত্যাধুনিক ফিচার ও অন্যান্য সুবিধার জন্য বাজারে স্থানীয় মোবাইল ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখলে নিয়েছে। ওয়ালটন হ্যান্ডসেট কিস্তিতে কেনার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। আমাদের রয়েছে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা। এছাড়া দেশীয় ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড হিসেবেও ওয়ালটন বাংলাদেশী ক্রেতাদের কাছে এখন আস্থার প্রতীক। বিশ্বাস ও আস্থার ওপর নির্ভর করেই ক্রেতারা ওয়ালটন পণ্য কিনবেন। প্রশ্ন: দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে বিক্রি বিবেচনায় ওয়ালটনের অবস্থান কোন পর্যায়ে? রেজওয়ান আলম: বর্তমানে ওয়ালটন মোবাইল অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে দেশের বাজারে অবস্থান দখলে নিয়েছে। স্থানীয় ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওয়ালটন মোবাইল দেশের বাজারে একটি সুসংহত অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছে। ক্রেতাদের আগ্রহ ও চাহিদা বিবেচনায় দিন দিন মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাতের মাধ্যমে দেশের বাজারে শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশ্ন: বাজার সম্প্রসারণে ওয়ালটন কোনো নীতি অনুসরণ করে কি? রেজওয়ান আলম: গ্রাহক ও গ্রাহক চাহিদা সবসময় বাজার সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার তৈরিতে অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। ওয়ালটন বিশ্বাস করে, গ্রাহক চাহিদার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি বাজার সম্প্রসারণের প্রধান নিয়ামক। গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন ওয়ালটনকে নতুন বাজার তৈরিতে সহায়তা করবে। প্রশ্ন: বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে ওয়ালটনকে কী ধরনের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে? রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন মোবাইল দেশীয় বাজারে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অনেক নামিদামি দেশীয় ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই পরিচিতি লাভ করেছে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ওয়ালটন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অত্যাধুনিক ফিচার সংবলিত গুণগতমানের স্মার্টফোন স্বল্পমূল্যে বাজারজাত করে আসছে। এর ফলে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের বাজারে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন বাজারজাত করতে বাধ্য হচ্ছে। বাজারে প্রাধান্য বিস্তারের লক্ষ্যে ওয়ালটন আরো মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করছে। এতে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারা। তারা সাশ্রয়ী দামে মানসম্পন্ন স্মার্টফোন পাচ্ছেন। প্রশ্ন: ওয়ালটনের সার্ভিস সেন্টার ও বিক্রয়োত্তর সেবার মান সম্পর্কে বলুন। রেজওয়ান আলম: বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনেরই রয়েছে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ালটন বিশ্বাস করে পরিপূর্ণ সেবাই গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনের মূলমন্ত্র। গ্রাহক সুবিধার কথা বিবেচনা করে দেশব্যাপী ৭০টির বেশি সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি সার্ভিস সেন্টার শুধু মোবাইল ফোনের বিক্রয়োত্তর সেবার জন্য পরিচালিত হচ্ছে। প্রশ্ন: বাংলাদেশের ডিভাইস বাজার কতটুকু সম্ভাবনাময়? রেজওয়ান আলম: বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইসের বাজার হিসেবে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ২০১২ সালে থ্রিজি সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী ইন্টারনেটের আওতায় এসেছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ইন্টারনেটের আওতায় আনার জন্য শুধু থ্রিজি সেবাই যথেষ্ট ছিল না। সঙ্গে থ্রিজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেটের প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশে থ্রিজি সেবা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত বার্ষিক স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধি হয়েছে শতভাগের বেশি। প্রবৃদ্ধির এই ধারার কথা বিবেচনায় রেখে চলতি বছর শেষে ফোরজি সেবা চালু হলে স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধি কয়েক বছরের চেয়ে অনেক বেশি হবে। প্রশ্ন: ওয়ালটনের গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে কোনো কার্যক্রম আছে কি? রেজওয়ান আলম: অবশ্যই। মোবাইল ডিভাইসের বাজার সম্প্রসারণে গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের গুরুত্ব অপরিসীম। স্মার্টফোনের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। ওয়ালটনের রয়েছে বৃহৎ গবেষণা ও উন্নয়ন সেন্টার। যেখানে মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী বছরের মধ্যে এ সেক্টরে আরো বৃহৎ পরিসরে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সৌজন্যে: বণিক বার্তা।

ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর ও ওয়ালটন মোবাইল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এস এম রেজওয়ান আলম। ওয়ালটন মোবাইলের উত্থান, বাজার সম্প্রসারণ নীতি, দেশেই স্মার্টফোন উৎপাদন কার্যক্রম শুরু এবং আগামী বছরের ব্যবসা পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন।

প্রশ্ন: ওয়ালটনের দেশেই স্মার্টফোন তৈরির উদ্যোগ কোন পর্যায়ে আছে?

রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন শুরু থেকেই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিশ্বাস করে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করে দেশীয় এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ওয়ালটনই প্রথম বাংলাদেশে স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা দেশের প্রথম স্মার্টফোন উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। কারখানাটি থেকে এরই মধ্যে ডিভাইস উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

প্রশ্ন: ২০১৮ সালের জন্য ওয়ালটন মোবাইলের পরিকল্পনা নিয়ে বলুন।

রেজওয়ান আলম: ২০১৮ সালে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে ওয়ালটনের। এ পরিকল্পনার মধ্যে? রয়েছে উৎপাদন ইউনিট বৃদ্ধিসহ মোবাইল ফোন গবেষণা ও মানোন্নয়নে আরো বেশি বিনিয়োগ করা। আগামী বছরের মধ্যে স্মার্টফোনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ওয়ালটন মোবাইল ফোন কারখানায় চারটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে। শিগগিরই আরো দুটি ইউনিট যুক্ত হবে। আগামী বছর উৎপাদন ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টিতে। সেসঙ্গে বাড়বে বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতাও। আগামী বছর ওয়ালটনের বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এক কোটি হ্যান্ডসেট। এর মধ্যে ২৫-৩০ লাখ হবে স্মার্টফোন। বাকি ৭০-৭৫ লাখ ফিচার ফোন। এর বাইরে আরো বেশি ফোরজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেট বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশ্ন: ওয়ালটন স্মার্টফোনের টার্গেট ক্রেতা কারা?

রেজওয়ান আলম: চাহিদার কথা বিবেচনা করে ওয়ালটন সব ধরনের ক্রেতার জন্য হ্যান্ডসেট বাজারজাত করে এসেছে। বর্তমানে ওয়ালটনের রয়েছে ২ হাজার ৮৪০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৩ হাজার ৯৯০ টাকা দামের স্মার্টফোন। বাংলাদেশের বেশির ভাগ থ্রিজি নেটওয়ার্ক সেবা ব্যবহারকারী ওয়ালটন হ্যান্ডসেটের ক্রেতা।

প্রশ্ন: ক্রেতারা ওয়ালটনের হ্যান্ডসেট কেন কিনবে?

রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন শুরু থেকেই সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত হ্যান্ডসেট বাজারজাত করে আসছে। গুণগত মানের পাশাপাশি অত্যাধুনিক ফিচার ও অন্যান্য সুবিধার জন্য বাজারে স্থানীয় মোবাইল ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখলে নিয়েছে। ওয়ালটন হ্যান্ডসেট কিস্তিতে কেনার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। আমাদের রয়েছে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা। এছাড়া দেশীয় ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড হিসেবেও ওয়ালটন বাংলাদেশী ক্রেতাদের কাছে এখন আস্থার প্রতীক। বিশ্বাস ও আস্থার ওপর নির্ভর করেই ক্রেতারা ওয়ালটন পণ্য কিনবেন।

প্রশ্ন: দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে বিক্রি বিবেচনায় ওয়ালটনের অবস্থান কোন পর্যায়ে?

রেজওয়ান আলম: বর্তমানে ওয়ালটন মোবাইল অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে দেশের বাজারে অবস্থান দখলে নিয়েছে। স্থানীয় ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওয়ালটন মোবাইল দেশের বাজারে একটি সুসংহত অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছে। ক্রেতাদের আগ্রহ ও চাহিদা বিবেচনায় দিন দিন মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাতের মাধ্যমে দেশের বাজারে শীর্ষ ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রশ্ন: বাজার সম্প্রসারণে ওয়ালটন কোনো নীতি অনুসরণ করে কি?

রেজওয়ান আলম: গ্রাহক ও গ্রাহক চাহিদা সবসময় বাজার সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার তৈরিতে অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। ওয়ালটন বিশ্বাস করে, গ্রাহক চাহিদার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি বাজার সম্প্রসারণের প্রধান নিয়ামক। গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন ওয়ালটনকে নতুন বাজার তৈরিতে সহায়তা করবে।

প্রশ্ন: বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে ওয়ালটনকে কী ধরনের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে?

রেজওয়ান আলম: ওয়ালটন মোবাইল দেশীয় বাজারে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অনেক নামিদামি দেশীয় ও বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই পরিচিতি লাভ করেছে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ওয়ালটন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অত্যাধুনিক ফিচার সংবলিত গুণগতমানের স্মার্টফোন স্বল্পমূল্যে বাজারজাত করে আসছে। এর ফলে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের বাজারে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন বাজারজাত করতে বাধ্য হচ্ছে। বাজারে প্রাধান্য বিস্তারের লক্ষ্যে ওয়ালটন আরো মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করছে। এতে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারা। তারা সাশ্রয়ী দামে মানসম্পন্ন স্মার্টফোন পাচ্ছেন।

প্রশ্ন: ওয়ালটনের সার্ভিস সেন্টার ও বিক্রয়োত্তর সেবার মান সম্পর্কে বলুন।

রেজওয়ান আলম: বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনেরই রয়েছে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়ালটন বিশ্বাস করে পরিপূর্ণ সেবাই গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনের মূলমন্ত্র। গ্রাহক সুবিধার কথা বিবেচনা করে দেশব্যাপী ৭০টির বেশি সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি সার্ভিস সেন্টার শুধু মোবাইল ফোনের বিক্রয়োত্তর সেবার জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের ডিভাইস বাজার কতটুকু সম্ভাবনাময়?

রেজওয়ান আলম: বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইসের বাজার হিসেবে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। ২০১২ সালে থ্রিজি সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী ইন্টারনেটের আওতায় এসেছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ইন্টারনেটের আওতায় আনার জন্য শুধু থ্রিজি সেবাই যথেষ্ট ছিল না। সঙ্গে থ্রিজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত হ্যান্ডসেটের প্রয়োজন ছিল। বাংলাদেশে থ্রিজি সেবা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত বার্ষিক স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধি হয়েছে শতভাগের বেশি। প্রবৃদ্ধির এই ধারার কথা বিবেচনায় রেখে চলতি বছর শেষে ফোরজি সেবা চালু হলে স্মার্টফোন বাজারের প্রবৃদ্ধি কয়েক বছরের চেয়ে অনেক বেশি হবে।

প্রশ্ন: ওয়ালটনের গবেষণা ও উন্নয়ন নিয়ে কোনো কার্যক্রম আছে কি?

রেজওয়ান আলম: অবশ্যই। মোবাইল ডিভাইসের বাজার সম্প্রসারণে গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের গুরুত্ব অপরিসীম। স্মার্টফোনের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। ওয়ালটনের রয়েছে বৃহৎ গবেষণা ও উন্নয়ন সেন্টার। যেখানে মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী বছরের মধ্যে এ সেক্টরে আরো বৃহৎ পরিসরে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

সৌজন্যে: বণিক বার্তা।

Share on Facebook
নিউজটি 364 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

16129961_1730814400566375_1235166755_o