Close

কৃষ্ণপক্ষ-হবে আসল প্রত্যাবর্তন : রিয়াজ

কৃষ্ণপক্ষ ছবির দৃশ্যে ​রিয়াজ

তাঁর সঙ্গে।

সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে সুইটহার্ট ছবিটি। এই ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা রিয়াজ। সুইটহার্ট দিয়ে দুই বছর পর বড় পর্দায় ফিরলেন এই অভিনেতা। তা ছাড়া  শনিবার তাঁর আরেক ছবি কৃষ্ণপক্ষ-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। দুই বছর পর একই মাসে দুটি ছবি নিয়ে ফিরেছেন রিয়াজ। তাই এবার কথা হলো তাঁর সঙ্গে।

সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : দুই বছর পর সিনেমা হলে আপনার ছবি। বিরতির পর ফেরাটা কেমন হবে মনে করছেন?
রিয়াজ : সুইটহার্ট ছবিতে আমি একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছি। ছবির প্রধান নায়ক-নায়িকা মিম ও বাপ্পি। আমাকে অতিথি চরিত্রের অভিনেতাও বলা যেতে পারে। মনে হচ্ছে, ছবিতে আমার চরিত্র ও কাজ দর্শকের ভালো লাগবেই। ট্রেলার ও গান রিলিজের পর থেকে প্রচুর ফোন পাচ্ছি। সবাই খুব প্রশংসা করছেন। আমিও বেশ অনুপ্রাণিত হচ্ছি।
সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : ‘সুইটহার্ট’ ছবির শুটিং শুরুর আগে বলেছিলেন, এটা টেস্ট। এটা যদি টেস্ট হয়, আসল প্রত্যাবর্তন হবে কোন সিনেমা দিয়ে…
রিয়াজ : সুইটহার্ট ছবির পর আমি কৃষ্ণপক্ষ-তেও কাজ করেছি। দুটিই টেস্ট বলতে পারেন। দুটি ছবির ফলাফল দেখতে চাই। এটা আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি দেখি দর্শক প্রেক্ষাগৃহে আসছেন, তা হলে বুঝব তাঁরা আমাকে এখনো চান। এই দুটি ছবির পর যে ছবিটি আমি করব, সেটা একটু অন্যভাবে করতে চাই। ওটাই হবে আসল প্রত্যাবর্তন।
সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : তা হলে আসল প্রত্যাবর্তনের ছবি কি চূড়ান্ত হয়েছে?
রিয়াজ : এখনো ঠিক হয়নি। সামনে ‘আসিতেছে’, এটা নিশ্চিত।
সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : মাঝে আপনাকে ছবিতে সেভাবে দেখা যায়নি। আবার উধাও হয়ে যাবেন না তো?
রিয়াজ : যদি সুস্থ থাকি, উধাও হব না। আমার উপলব্ধি হচ্ছে, এখনো অনেক কিছু দেওয়ার আছে। আমি ছবির সঙ্গে যেকোনোভাবে থাকতে চাই। এখন কিন্তু সেভাবে সিনেমা হল নেই, পরিচালক নেই, প্রযোজক হতে গেলে টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই—এই জায়গাগুলো কাউকে না কাউকে বদলাতে হবে। এসব বদলে গেলে পরবর্তী সময়ে ছবির সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে চাই।
সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : চলচ্চিত্রের মূল সমস্যা এখন কোথায় বলে মনে করছেন?
রিয়াজ : যাঁদের ছবি বানানোর কথা না, তাঁরাই ছবি বানাচ্ছেন! দেখে মনে হয়, ইদানীং সবচেয়ে সহজ কাজ ছবি পরিচালনা করা! কঠোর নীতিমালা এবং কার্যকর সমিতি থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ছবি বানিয়ে যাচ্ছেন। একটি ছেলে দু-তিনটি নাটক বানানোর পরই ছবি বানানোয় নেমে যাচ্ছে। এদের বেশির ভাগেরই অভিনয়, গান, সম্পাদনা, স্ক্রিপটিং, স্ক্রিনপ্লে সম্পর্কে ন্যূনতম কোনো জ্ঞান নেই।
সিটিজেন নিউজ ২৪ ডটকম : ঢাকা  : পরিত্রাণের উপায় কী?
রিয়াজ : প্রথমত দক্ষ পরিচালক দরকার। চলচ্চিত্রের আলাদা একটা ভাষা আছে, এটাই এখনকার অনেকেই বোঝেন না। পরিচালকদের অবস্থা হচ্ছে, স্কুলে গিয়েই কয়েক দিন পর তাঁরা কলেজের প্রফেসর! এই প্রফেসর যখন ছবি বানাচ্ছেন, সেটা অখাদ্য হবে, এটাই স্বাভাবিক। এই বিষয়গুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

Share on Facebook
নিউজটি 1083 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

16129961_1730814400566375_1235166755_o